background change

একটু busy তাই দেরি হল. তাহলে এখন কাজের কথায় আসা যাক । বিভিন্ন ভাবে ব্যাকগ্রাউন্ড ছবি change করা যায় । বিস্তারিত পড়ুন

Posted in সকলফিচার | Tagged | মন্তব্য দিন

দজ্জাল ও ইয়াজুজ মাজুজের বর্ণনা ও ফিতনা

:::দজ্জাল ও ইয়াজুজ মাজুজের বর্ণনা ও ফিতনা::::

নাওয়াস ইব্‌ন সাম‘আন বলেন, কোন এক সকালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাজ্জালের উল্লেখ করলেন, তাতে তিনি আওয়াজ নিচু ও উঁচু করছিলেন, এমনকি আমরা তাকে (দাজ্জালকে) প্রতিবেশীর খেজুর বাগানে ধারণা করেছিলাম। অতঃপর তিনি বললেন:

“আমি তোমাদের ওপর দাজ্জাল ব্যতীত অন্য কিছুর আশঙ্কা করছি, যদি সে বের হয় আর আমি তোমাদের মাঝে থাকি, তাহলে আমিই তাকে মোকাবিলা করব তোমাদের পরিবর্তে। যদি সে বের হয় আর আমি তোমাদের মাঝে না থাকি, তাহলে প্রত্যেকে তার নিজের জিম্মাদার, আর আমার অবর্তমানে আল্লাহ প্রত্যেক মুসলিমের জিম্মাদার।

দাজ্জাল কোঁকড়ানো চুল বিশিষ্ট যুবক, তার চোখ ওপরে উঠানো, আমি তার উদাহরণ পেশ করছি আব্দুল উজ্জা ইব্‌ন কুতনকে।

তোমাদের থেকে যে তাকে পাবে সে যেন তার ওপর সূরা কাহাফের প্রথম আয়াতগুলো পড়ে, নিশ্চয় সে বের হবে শাম ও ইরাকের মধ্যবর্তী স্থান থেকে, সে ডানে ও বামে ধ্বংসযজ্ঞ চালাবে, হে আল্লাহর বান্দাগণ তোমরা দৃঢ় থাক”। আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, যমীনে তার অবস্থান কি পরিমাণ হবে? তিনি বললেন: “চল্লিশ দিন, একদিন এক বছর সমান, অতঃপর একদিন এক মাসের সমান, অতঃপর একদিন এক জুমার সমান, অতঃপর তার অন্যান্য দিনগুলো তোমাদের দিনের ন্যায়”।

আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, যে দিনটি এক বছরের ন্যায় সেখানে কি একদিনের সালাত যথেষ্ট? তিনি বললেন: “না, তোমরা তার পরিমাণ করবে”। আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসূল যমীনে তার গতি কিরূপ হবে? তিনি বললেন: “মেঘের মত, যাকে বাতাস হাঁকিয়ে নিয়ে যায়, সে এক কওমের নিকট আসবে তাদেরকে আহ্বান করবে, ফলে তারা তার ওপর ঈমান আনবে ও তার ডাকে সাড়া দিবে, অতঃপর সে আসমানকে নির্দেশ করবে আসমান বৃষ্টিপাত করবে, যমীনকে নির্দেশ করবে যমীন শস্য জন্মাবে, এবং তাদের জন্তুগুলো সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরবে উঁচু চুটি, দুধে পরিপূর্ণ ও দীর্ঘ দেহ নিয়ে।

অতঃপর এক কওমের নিকট আসবে তাদেরকে দাওয়াত দিবে, কিন্তু তারা তার দাওয়াত প্রত্যাখ্যান করবে, সে তাদের থেকে চলে যাবে ফলে তারা দুর্ভিক্ষে পতিত হবে তাদের হাতে তাদের সম্পদের কিছুই থাকবে না। সে ধ্বংস স্তূপের পাশ দিয়ে যাবে অতঃপর তাকে বলবে: তোমার সম্পদ তুমি বের কর, ফলে তার সম্পদ তার অনুগামী হবে মক্ষী রাণীর ন্যায়, অতঃপর সে পূর্ণ এক যুবককে ডাকবে ও তলোয়ারের আঘাতে দু’টুকরো করে ঢিলার দূরত্ব পরিমাণ দুই ধারে নিক্ষেপ করবে, অতঃপর তাকে ডাকবে সে এগিয়ে আসবে ও হাসিতে তার চেহারা উজ্জ্বল থাকবে।

দাজ্জাল এরূপ করতে থাকবে, এমতাবস্থায় আল্লাহ মাসিহ ইব্‌ন মারইয়ামকে প্রেরণ করবেন, তিনি দামেস্কের পূর্ব দিকে সাদা মিনারের কাছে অবতরণ করবেন দু’টি কাপড় পরিহিত অবস্থায় ফেরেশতাদের ডানার ওপর তার দু’হাত রেখে। যখন তিনি মাথা নিচু করবেন (বৃষ্টির ন্যায়) পানি টপকাবে, যখন তিনি মাথা উঁচু করবেন মুক্তোর ন্যায় শ্বেত পাথর পড়বে, (অর্থাৎ পরিষ্কার পানি)।

কোন কাফের এর পক্ষে সম্ভব হবে না তার শ্বাসের গন্ধ পাবে আর বেচে থাকবে, তার শ্বাস সেখানে যাবে যেখানে তার দৃষ্টি পৌঁছবে। তিনি তাকে সন্ধান করবেন অবশেষে ‘লুদ্দ’ নামক দরজার নিকট তাকে পাবেন, অতঃপর তাকে হত্যা করবেন। অতঃপর ঈসা আলাইহিস সালাম এক কওমের নিকট আসবেন, যাদেরকে আল্লাহ দাজ্জাল থেকে নিরাপদ রেখেছেন, তিনি তাদের চেহারায় হাত বুলিয়ে দিবেন এবং জান্নাতে তাদের মর্তবা সম্পর্কে তাদেরকে বলবেন।

এমতাবস্থায় আল্লাহ তার নিকট ওহি করবেন, আমি আমার এমন বান্দাদের বের করেছি যাদের সাথে যুদ্ধ করার সাধ্য কারো নেই, অতএব তুমি আমার বান্দাদের নিয়ে তুরে আশ্রয় গ্রহণ কর, আল্লাহ ইয়াজুজ ও মাজুজকে প্রেরণ করবেন, তারা প্রত্যেক উঁচু স্থান থেকে ছুটে আসবে। তাদের প্রথমাংশ পানিতে পূর্ণ নদীর পাশ দিয়ে অতিক্রম করবে, তারা তার পানি পান করে ফেলবে। তাদের শেষাংশ অতিক্রম করবে ও বলবে: এখানে কখনো পানি ছিল।

আল্লাহর নবী ঈসা ও তার সাথীগণ তুরে আটকা পড়বেন, অবশেষে গরুর একটি মাথা তাদের নিকট বর্তমানে তোমাদের একশো দিনার থেকে উত্তম হবে। অতঃপর আল্লাহর নবী ঈসা ও তার সাথীগণ আল্লাহর নিকট মনোনিবেশ করবেন, ফলে আল্লাহ তাদের (ইয়াজুজ-মাজুজের) গ্রীবায় গুটির রোগ সৃষ্টি করবেন, ফলে তারা সবাই এক ব্যক্তির মৃতের ন্যায় মৃত পড়ে থাকবে।

অতঃপর আল্লাহর নবী ঈসা ও তার সাথীগণ যমীনে অবতরণ করবেন, তারা যমীনে এক বিঘত জায়গা পাবে না যেখানে তাদের মৃত দেহ ও লাশ নাই। অতঃপর আল্লাহর নবী ঈসা ও তার সাথীগণ আল্লাহর নিকট দো‘আ করবেন, ফলে তিনি উটের গর্দানের ন্যায় পাখি প্রেরণ করবেন, তারা এদেরকে বহন করে আল্লাহর যেখানে ইচ্ছা নিক্ষেপ করবে।

অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, কাঁচা-পাকা কোন ঘর অবশিষ্ট থাকবে না যেখানে সে বৃষ্টির পানি প্রবেশ করবে না, যমীন ধৌত করে অবশেষে আয়নার মত করে দিবে। অতঃপর যমীনকে বলা হবে: তোমার ফল তুমি জন্মাও, তোমার বরকত তুমি ফেরৎ দাও, ফলে সেদিন এক দল লোক একটি আনার ভক্ষণ করবে এবং তার ছিলকা দ্বারা ছায়া গ্রহণ করবে, দুধে বরকত দেয়া হবে ফলে এক উটের দুধ কয়েক গ্রুপ মানুষের জন্য যথেষ্ট হবে। এক গরুর দুগ্ধ এক গ্রামের জন্য যথেষ্ট হবে। এক বকরির দুগ্ধ এক পরিবারের জন্য যথেষ্ট হবে। তারা এভাবেই জীবন যাপন করবে, এমতাবস্থায় আল্লাহ পবিত্র বাতাস প্রবাহিত করবেন, যা তাদের বগলের নিচ স্পর্শ করবে, ফলে সে প্রত্যেক মুমিন ও মুসলিমের রূহ কব্জা করবে, তখন কেবল সবচেয়ে খারাপ লোকগুলো অবশিষ্ট থাকবে, তারা গাধার ন্যায় (সবার সামনে) যৌনাচারে লিপ্ত হবে, অতঃপর তাদের ওপরই কিয়ামত কায়েম হবে”। [মুসলিম]

[সংগ্রহ করা ]

Posted in ইসলাম ধর্ম | Tagged | মন্তব্য দিন

এক অবিস্মরণীয় অবিশ্বাস্য ঘটনা দুই সাহাবীর দেহ রক্ষিত

এক অবিস্মরণীয় অবিশ্বাস্য ঘটনা

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ ভোর ৬:৪৭ |

শেয়ারঃ somewhere..inblog থেকে নেওয়া

27 0


১৯৩২ সাল। ঐতিহ্যবাহী নগরী মাদায়েন;যার বর্তমান নাম সালমান পাক।
সালমান পাক একটি প্রাচীন জনপদ ,যার অবস্থান ইরাকের রাজধানী বাগদাদ থেকে ৪০ মাইল দূরে। এক সময় এটি ছিল পারস্য সম্রাজ্যের রাজধানী। কিন্তু কালক্রমে ছোট হতে হতে এটি আজ ছোট জনবসতির আকারে এসে ঠেকেছে।
সালমান পাকে সাহাবায়ে কেরামের মধ্যে সর্বপ্রথম কবরস্থ হন বিখ্যাত সাহাবী হযরত সালমান ফার্সী (রা)। এরপর প্রায় তেরশত বছর পর সেখানে সমাহিত হন আরো দুজন সাহাবী ।! তন্মধ্যে একজন হলেন হযরত হুজাইফা(রা) এবং অপরজন হলেন হযরত জাবের বিন আবদুল্লাহ আনসারী(রা)।

মাদায়েন নগরীর ধ্বংসাবশেষ

ওনাদের কবর প্রথমে সালমান পাকে ছিল না। তাদের কবর ছিল সেখান থেকে দু ফার্লং দূরে একটা অনাবাদী জায়গায়, যার নিকট দিয়ে বয়ে চলছে ঐতিহাসিক দজলা নদী। হাঠাৎ করে একটি বিস্ময়কর ঘটনা ঘটে ,যার কারণে তাদেরকে সেখান থেকে সরিয়ে এখানে আনা হয়। ঘটনাটি হলো-
তখন ইরাকের বাদশাহ ছিলেন বাদশাহ ফয়সাল। তিনি একদিন ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ তিনি স্বপ্নে দেখেন হযরত হুজাইফা(রা) তাকে বলছেন- ” আমাদের বর্তমান অবস্থান থেকে সরিয়ে অন্যত্র দাফন করা হোক। কারণ আমার কবরে পানি জমতে শুরু করেছে আর হযরত জাবের(রা) এর কবরে পানি প্রবেশ করার উপক্রম হয়েছে।

বাদশাহ ফয়সাল ব্যস্ত মানুষ। বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে তিনি স্বপ্নের কথা ভুলে যান। পরের রাতেও তিনি একই স্বপ্ন দেখেন। কিন্তু এবারও নানাবিধ ঝামেলার কারণে স্বপ্নের সে নির্দেশ পালন করতে পারেননি।
তৃতীয় রাতে হযরত হুজাইফা(রা) ইরাকের প্রধান মুফতি সাহেবকে স্বপ্ন যোগে একই নির্দেশ দেন। সেই সাথে এও বলেন, আমি পরপর দু রাত বাদশাকে এ ব্যাপারে অবহিত করেছি। কিন্তু তিনি এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ নেয়নি। এখন আপনার দায়িত্ব হচ্ছে, আমার এ নির্দেশটি তাকে স্মরণ করিয়ে দেয়া এবং যথাশীঘ্র আমাদেরকে স্থানান্তরিত করার ব্যবস্থা করা।

পরদিন সকালে হওয়া মাত্রই মুফতী সাহেব প্রধানমন্ত্রী নূরী আস সাঈদকে টেলিফোন করলেন। বললেন, আমি বিশেষ প্রয়োজনে আপনার কাছে এক্ষুণি আসছি। আপনার কোন কাজ থাকলে পরে বের হবেন। প্রধানমন্ত্রী বললেন, ঠিক আছে আপনি আসুন। আমি আপনার অপেক্ষায় রইলামনূরীর সাথে সাক্ষাৎ হলে মুফতি সাহেব স্বপ্নের বিস্তারিত বিবরণ পেশ করলেন। সবশুনে প্রধানমন্ত্রী তৎক্ষণাৎ বাদশাহর সাথে মুফতি সাহেবের সাক্ষাতের সুযোগ করে দেন, সাথে নিজেও তার সাথে উপস্থিত হন। মুফতি সাহেবের মুখ থেকে সব কিছু শোনে বাদশাহ বলেন, হ্যাঁ আমি পর পর দু রাত এ স্বপ্ন দেখেছি এবং সে নির্দেশ পেয়েছি। আমি তো ভেবেই পাচ্ছিলাম না এ আমি কি দেখলাম। আপনি এসে ভালই করেছেন। এখন আপনিই বলেন এমতাবস্থায় কি করণীয়।

মুফতি সাহেব বললেন,তিনি তো স্পষ্ট করেই লাশ সরানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তাই, আমার মনে হয় অতিসত্বর তাঁর আদেশ পালন করা উচিৎ।
বাদশাহ বললেন, ঠিক আছে, তাহলে আপনি আপনি আগে স্থানান্তর করার ফতোয়াটা দিন।

তখন মুফতি সাহেব সাহাবায়ে কেরামের কবর স্থানান্তরের করার ফতোয়া লিখে দেন। এরপর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, সামনের কুরবানীর ঈদের দিন জোহরের নামাজের পর সম্মানিত দুই সাহাবীর কবর খুঁড়ে লাশ মুবারক তুলে কোন নিরাপদ স্থানে দাফন করা হবে।

ইরাকের পত্র পত্রিকায় খবরটি প্রচারিত হওয়ার সাথে সাথে সমগ্র ইরাকে আনন্দের ঢেউ খেলে যায়। তাছাড়া রয়টারসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলো মুহূর্তের মাঝে খবরটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেয়।

তখন ছিল হজের মৌসুম। তাই লক্ষ লক্ষ মুসলমান মক্কা নগরীতে সমবেত ছিল। এ সংবাদ শোনার পর হাজী সাহেবরা বাদশার কাছে আবেদন জানালেন,তারাও মহান সাহাবীদের চেহারা দর্শনে আগ্রহী,তাই অনুগ্রহ পূর্বক তারিখটা আরো কদিন পিছিয়ে দিলে ভালো হত। এদিকে ইরান, তুরস্ক,লেবানন,ফিলিস্তিন,হেজাজ,বুলগেরিয়া,উত্তর আফ্রিকা,রাশিয়া,ভারত প্রভৃতি রাষ্ট্র থেকে বাদশার কাছে একই আবেদন সম্বলিত অসংখ্য তারবার্তা আসতে থাকে।

বাদশাহ ফয়সাল পড়লেন মহা বিপাকে । একদিকে গোটা মুসলিম বিশ্বের তারিখ পেছানোর আবেদন আর অন্যদিকে দ্রুত লাশ স্থানান্তরের স্বাপ্নিক নির্দেশ। এমতাবস্থায় কি করবেন তিনি? তার চিন্তা হলো, যদি সত্যি সত্যি মাজারে পানি এসে থাকে,তবে তো বিলম্ব করার কারণে মাজারদ্বয়ের ক্ষতি হবে।

অবশেষে এ ব্যপারে পরামর্শ হলো। বহু আলোচনা পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত হলো, আপাততঃ কিছুদিন যাতে কবরের ভিতরে পানি প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য নদীর দিক থেকে দশ ফুট দূরে একটা গভীর গর্ত করে সেখানে কাঁকড় ফেলা হবে। আর সারা বিশ্বের মুসলমানদের আগ্রহের প্রতি সম্মান প্রদর্শনপূর্বক পূর্বের তারিখটি আরো দশদিন পিছিয়ে দেয়া হলো। অর্থাৎ লাশ স্থানান্তর করা হবে ঈদের দশদিন পর সোমবার দুপুর বারটায় ,ইনশাল্লাহ।

এ ঘোষণার পর কদিনের মধ্যেই সালমান পাকের ছোট্ট জনপদটি লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়।অনেক জ্ঞানী-গুণী, রাষ্ট্রদূত,উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা ও লক্ষ লক্ষ রাসূল প্রেমিকের ঢল নামে সালমান পাকে। ফলে জৌলুসের দিক দিয়ে সেটা আরেক বাগদাদে পরিণত হয়। তাঁবুয় তাঁবুয় ভরে যায় মাদায়েনের ঐতিহাসিক মাঠটিও। একটি গ্রহণযোগ্য হিসাব অনুযায়ী আগত দর্শনার্থীদের সংখ্যা ছিল পাঁচ লাখ।

অবশেষে সেই দিনটি এলো। লক্ষ লক্ষ জনতার উপস্থিতিতে কবর খোঁড়া হলো। দেখা গেল সত্যিই হযরত হুযাইফা(রা) এর কবরে কিছু পানি জমে গেছে এবং হযরত জাবের (রা) এর কবরে কিছুটা আর্দ্রতা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থা প্রত্যক্ষ করে সমবেত জনতা আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়ে। তাদের কণ্ঠে বারবার উচ্চারিত হয় আল্লাহু আকবার ধ্বনি। চোখে নেমে আসে অশ্রুর প্লাবন। তাদের এ কান্নায় শরীক হতে যেন সালমান পাকের পবিত্র ভূমিও যেন আবেগপ্লুত হয়ে কাঁদছে।


ইরাকের বাদশাহ ফয়সালের ভাগ্যে এই সৌভাগ্য লিখা ছিল যে, সে নবীজী সা. এর দু’জন সাহাবী তথা মাদায়েনের গভর্ণর হযরত হুযায়ফা রা. এবং সাইয়্যিদুনা হযরত জাবের বিন আব্দুল্লাহ আনসারী রা. স্বপ্নে এসে তার কাছে এই ইচ্ছে প্রকাশ করেন যে, আমাদের আসল জায়গা থেকে সরিয়ে নদী থেকে দূরে দাফন করে দাও। কেননা নদীর পানি আমাদের মাযারের নিকট এসে যায়।
সুতরাং ১৩৫১ হিজরীর কুরবানীর দশ দিন পর মরহুম শাহ ইরাক শাহী সম্মান ও সুনিপূণ ব্যাবস্থাপনার সাথে এই আদেশ পালন করেন। আর এই দু’জন সাহাবী রা. দের দেখে লাখো মুসলমান সৌভাগ্যমন্ডিত হবার তৌফিক পায়। এই দুই জনের পবিত্র শরীর ছিল সম্পূর্ণ অক্ষত। এমনকি কাফন এবং দাড়ির সকল চুল ও। চোখের পাপড়িও ছিল স্বাভাবিক।এটা ইসলাম ধর্মের সত্যতার একটি গায়েবী প্রমাণ।(ছবির লেখাটির অনুবাদ)

বাদশাহ ফয়সালের নেতৃত্বে তার মন্ত্রী ও কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন দেশ থেকে আগত রাষ্ট্রদূতগণের সহায়তায় প্রথমে হযরত হুযাইফা(রা) এর লাশ মুবারক কবর থেকে করেন দ্বারা তোলা হলো। ক্রেনের সাহায্যে তা৬র পবিত্র লাশটি এমনভাবে তোলা হলো যে, মোবারক লাশটি আপনাতেই ক্রেনের মাথায় ফিট করে রাখা ট্রেচারে এসে পৌঁছায়। অতঃপর ট্রেচারটি ক্রেন থেকে পৃথক করে নেয়া হলে বাদশাহ ফয়সাল,মুফতি সাহেব,সিরিয়া ও তুরস্কের নির্বাচিত মন্ত্রীবর্গ এবং মিশরের যুবরাজ শাহ ফারুক অত্যন্ত যত্ন ও তাজীম সহকারে লাশ মোবারককে তুলে এনে একটি কফিনের ভিতর রাখেন। অতঃপর একই ভাবে হযরত জাবের(রা) এর পবিত্র লাশটিও তুলে আনা হয়।

আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, শত শত বছর পেরিয়ে গেলেও শুধু লাশ মোবারকই নয়,কাফন বাধার ফিতাগুলোর মধ্যে কোন প্রকারের পরিবর্তনের ছোঁয়া লাগে নি। লাশ দুটিকে দেখে কেউ কল্পনাও করতে পারছিল না যে, এগুলো দীর্ঘ তেরশত বছর আগের লাশ। আরো বিশ্বয়ের ব্যাপার হলো,তাদের চোখগুলো খোলা ছিল। সেই খোলা চোখ থেকে এমন রহস্যজনক অপার্থিব জ্যোতি ঠিকরে পড়ছিল যে, অনেকেই তাদের চোখ ভালভাবে দেখার চেষ্টা করছিলেন,কিন্তু চোখ থেকে আসা অতি উজ্জ্বল আলোর কারণে কেউই দৃষ্টি স্থির রাখতে পারছিল না।

এ অবস্থা প্রত্যক্ষ করে বড় বড় ডাক্তারগণ হতবাক হয়ে যান। এ সময় আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জৈনিক জার্মান চক্ষু বিশেষজ্ঞ অত্যন্ত আগ্রহ সহকারে সবকিছু খুঁটে খুঁটে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে দেখছিলেন। এ দৃশ্য তার উপর এমন প্রভাব বিস্তার করে যে, পবিত্র লাশ দুটি কফিনে রাখার সাথে সাথে তিনি মুফতি সাহেবের হাত ধরে বললেন, ইসলামের সত্যতা আর সাহাবাগণের উচ্চ মর্যাদা স্বপক্ষে এর চেয়ে বড় প্রমাণ আর কি হতে পারে?
এ বলে তিনি কালিমা পড়ে মুসলমান হয়ে যান।

যা হোক,পবিত্র লাশ দুটিকে কবরে রাখার পর উপস্থিত জনতা তাদের নামাজে জানাযা আদায় করেন। এরপর আলেম ও মন্ত্রীবর্গ কফিন দুটো কাঁধে উঠিয়ে নেয়। কিছুদূর যাওয়ার পর বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিগণ এবং সব শেষে বাদশাহ ফয়সাল কাঁধ পেতে ধরেন।
এদিকে বাদশাহর অনুমতি নিয়ে জার্মানের একটি চলচ্চিত্র কোম্পানী বিশাল পর্দার সাহায্যে উপস্থিত সকলকে কোন প্রকার হুড়াহুড়ি না করে এ দৃশ্য শুরু থকে শেষ পর্যন্ত সরাসরি দেখার ব্যবস্থা করে। এতে সকলেই তাদেরকে অন্তর থকে ধন্যবাদ জানায়।
দীর্ঘ চার ঘণ্টা পর পরম ভক্তি ও শ্রদ্ধার সাথে পবিত্র লাশ দুটি সালমান পাকে এসে পৌঁছে। যে সৌভাগ্যবানরা লাশ দুটিকে প্রথমে কফিনে রেখেছিল তারাই কফিন দুটিকে নব নির্মিত কবরে নামিয়ে রাখেন। আর এভাবেই জনতার নারায়ে তাকবীরের মধ্য দিয়ে ইসলামের এই জিন্দা শহীদেরকে মাটির কোলে শুইয়ে দেওয়া হয়।

জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা) এর নতুন সমাধি

অনেক বিদেশী পর্যটক এবং অমুসলিম এ বিস্ময়কর ঘটনা দেখতে আসে।তারা প্রভাব সৃষ্টিকারী সেই দৃশ্যে শুধু প্রভাবান্বিত হননি বরং অনেকে মুসলমান হয়ে যান। সেই সময়ে হিন্দুস্তানের এক সাহিত্যিক দম্পতি ইরাকে গিয়েছিলেন,তারা স্বচক্ষে ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করেন। সম্ভবতঃ মহিলাটি ইরাকের এই ভ্রমণ কাহিনী তার এক সফরনামায় লিপিবদ্ধ করে,যা পরে পুস্তকারে প্রকাশিত হয়।

এ ঘটনাটা যেন সূরা বাকায়ায় বর্ণিত আয়াতের বাস্তব উদাহরণঃ-
“যারা আল্লাহর পথে নিহত হয় তোমরা তাদের মৃত বলো না। প্রকৃতপক্ষে তারা জীবিত। কিন্তু তোমরা তা অনুভব করতে পার না।” (আয়াত নং-১৫৪)
আল্লাহ তাআলা স্বীয় নিপুণ শক্তিমত্তা এবং দীনের অম্লান সত্যতার এমন মোজেজা কদাচিৎ দেখিয়ে থাকেন।

সালমান পাক মসজিদের গম্বুজ

বিদ্রঃ
যদি জাবের(রা) ওহুদ যুদ্ধে নিহত আব্দুল্লাহ (রা) এর সন্তান হয়ে থাকেন,তাহলে তাঁর পিতার সাথেও একই ঘটনা ঘটেছিল।

ঘটনাটি এই যে, হযরত জাবের(রা) এর পিতা আবদুল্লাহ (রা) ওহুদ যুদ্ধে সর্বপ্রথম শহীদ হন। তাঁকে হযরত উমর বিন জামুহ(রা) এর সঙ্গে একই কবরে সমাহিত করা হয়। সে সময়ে মুসলমানদের এত দরিদ্র অবস্থা ছিল যে, শহীদদের জন্য যথেষ্ট পরিমাণ কাফনের কাপড় ছিল না। বিধায় হযরত আবদুল্লাহ (রা)কে মাত্র একটি চাদরে কাফন দেয়া হয়।যার ফলে তার মুখমণ্ডল ঢেকে দেয়া হলেও পদযুগল খোলা থেকে যায়,ফলে তা ঘাস দ্বারা আবৃত করা হয়। তাদের করটি ছিল ভাটি অঞ্চলে। চল্লিশ বছর পর হযরত মুয়াবিয়া(রা) এর খেলাফতকালে এক প্লাবন দেখা দেয়। তখন জাবের (রা) এর উপস্থিতিতে কবরটি খনন করা হলে বুযর্গদ্বয়ের দেহ সম্পূর্ণ অক্ষত ও সতেজ পাওয়া যায়।

একটি বর্ণনায় এমন আছে যে, তাঁদের পবিত্র মুখমণ্ডলে যে ক্ষত ছিল, সে ক্ষতের উপর হাত রাখা ছিল। লোকেরা ক্ষতস্থান থেকে হাত সরালে তাজা রক্ত বেরিয়ে আসতে থাকে।ক্ষতস্থানে পুনরায় হাত রাখলে রক্তের প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়।

তথ্যসূত্রঃ
১) জাহানে দিদাহ- শাইখুল ইসলাম আল্লামা তাকী উসমানী (দা বা)
২)দৈনিক জং
৩)উইকিপিডিয়া

Posted in ইসলাম ধর্ম | Tagged | মন্তব্য দিন

কোরআনের রত্ন সমুহ: ইউসুফ (আঃ) ও মুসা (আঃ) ঘটনার ঐতিহাসিক মিল

কোরআনের রত্ন সমুহ: ইউসুফ (আঃ) ও মুসা (আঃ) ঘটনার

ঐতিহাসিক মিল

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১২ ভোর ৬:৩২ |

শেয়ারঃ somewhere…inblog

0 1

 

#কোরআনের রত্ন : ইউসুফ (আঃ) ও মুসা (আঃ) এর কাহিনী\গল্প\বিবরণ\ ইতিহাসের সাথে মিল\সদৃশতা সমুহ।

আপনারা নিশ্চই কোরআনে ইউসুফ (আঃ) Joseph ও মুসা (আঃ) সর্ম্পকে জেনে থাকবেন:

দুজনের ঘটনা সময়কালের মধ্যে পার্থক্য হাজার বছরের উপরে। কোরআন অনুযায়ি প্রথম ঘটনা ইউসুফ (আঃ)এবং তার পর মুসা (আঃ) সর্ম্পকে

মিল\সদৃশতা সমুহ:১. নবী ইয়াকুব (আঃ) যিনি ইউসুফ (আঃ) বাবা এবং মুসা (আঃ) এর মা দুজনেই তাদের সন্তান কে হারান মিশরে এবং অবশেষে ফিরেও পান।

২. ইউসুফ (আঃ) Joseph ও মুসা (আঃ) দুজনেই পানিতে পতিত হন যেমন ইউসুফ (আঃ) Joseph কে কুয়াতে ফেলে দেয় ওনার ভাইয়েরা
* এবং মুসা (আঃ) কে নদীতে ভাসিয়ে দেন ওনার মা ফেরআউন থেকে বাচাতে।

৩. যখন ধর্মযাজক ইউসুফ (আঃ) Joseph কে ঘরে আনেন এবং যখন আসিয়া (আঃ) মুসাকে ফেরআউনের কাছে নিয়ে আসে তখন দুজনেই একই কথা বলেছিলেন : {عَسَىٰ أَن يَنفَعَنَا أَوْ نَأْتَخِذَهُ وَلَدًا}
{ আসা আন ইয়ান ফাআনা আউ নাত তাকিতাহাহু ওয়ালাদান} যার অর্থ মনে হয় এই বাচ্চা আমাদের উপকারে\কাজে আসবে অথবা আমরা তাকে সন্তান হিসেবে গ্রহন করবো

৪. ইউসুফ (আঃ) Joseph ও মুসা (আঃ) দুজনেই পালিত হয়েছিলেন অন্যের কাছে এবং দুজনেই রাজ প্রসাদে বা দুর্গে বেড়ে ওঠেন।

৫. ইউসুফ (আঃ) Joseph ও মুসা (আঃ) দুজনেরই চেহারা বা সৈন্দর্য তাদের জীবনে বড় রকমের প্রভাব ফেলেছিল। যেমন ইউসুফ (আঃ) Joseph এর যুবক বয়সের সময়ে রাজ প্রসাদের বা দুর্গের নারীরা তার সৈন্দর্যের জন্য পাগল হয়ে ছিলেন এমনকি কথিত আছে যে ইউসুফ (আঃ) দিকে তাকিয়ে দেখার সময় ফল কাটতে গিয়ে নিজের হাতের অংগুল কেটে ফেলেছে

দেখুন সুরা ইউসুফ সুরা নং ১২ আয়াত নং ৩১ ” যখন সে তাদের চক্রান্ত শুনল, তখন তাদেরকে ডেকে পাঠাল এবং তাদের জন্যে একটি ভোজ সভার আয়োজন করল। সে তাদের প্রত্যেককে একটি ছুরি দিয়ে বললঃ ইউসুফ এদের সামনে চলে এস। যখন তারা তাকে দেখল, হতভম্ব হয়ে গেল এবং আপন হাত কেটে ফেলল। তারা বললঃ কখনই নয় এ ব্যক্তি মানব নয়। এ তো কোন মহান ফেরেশতা। ”

আর অন্য দিকে মুসা (আঃ) যখন নদীতে ভাসতে ভাসতে ফেরআউনের স্ত্রীর কাছে যায় তখন মুসা (আঃ) কে দেখে ওনার মায়া হয় এবং নিজের কাছে নিয়ে নেন আর ফেরআউন সেই সময়ে যখন সকল ছেলে সন্তান হত্যার নির্দেশ দেয় তখন মুসা (আঃ) কে ওনার স্ত্রীর কাছে দেখে না মেরে বরং নিজের সন্তান হিসেবে পালতে সম্মত হন।

৬. ইউসুফ (আঃ) এর ঘটনায় নারীরা তাদের হাতের অংগুল কেটে ফেলেছে কারন তারা এতটাই মুগ্ধ হয়েছিল ইউসুফ (আঃ) এর সৈন্দর্যে আর মুসা (আঃ) কে নিজের প্রসাদে নিয়ে ফেরআউন বুঝতেও পারেনি যে নিজের গলা সে নিজেই কাটছিল কারন একদিন মুসা (আঃ) ই হন ফেরআউনের সম্রাজ্যের পতনের কারন।

সুবহানাল্লাহ দেখনু ঘটনার মিল সমুহ। ইউসুফ (আঃ) ও মুসা (আঃ) এর কাহিনী ইতিহাস যেখানে ফিরে আসে, একই রকম ঘটনার পুনরাবৃত্তি যদিও তাদের মাঝে হাজার বছরের পার্থক্য।

মুল কথা শাসক যতই জালিম হোক না কেন যতই পাওয়ারফুল হোক না কেন তার পতনের জন্য একজন সৎ লোকই যথেস্ট এটাই বারবার প্রামানিত হয়েছে চিরন্তন সত্য হিসেবে তাই যারাই ক্ষমতায় আছেন বা যাবেন তাদের সর্বদা মনে রাখা উচিৎ তাদর চেয়েও বড় মহান এক ক্ষমতাধর আছেন যার কাছে ফিরে যেতে হবে।

তথ্য সুত্র নেয়া হয়েছে: সূরা নং ২৮ সুরা আল কাসাস তফসির নোটস থেকে আয়াত নং ৭,
লিখেছেন: নোমান আলী খান সিইও ব্যাইয়েনাহ ইন্সটিটিউট

লিংক: Click This Link

Posted in ইসলাম ধর্ম | Tagged | মন্তব্য দিন

বিষ্ময়কর এক জীবন কাহিনীঃ

বিষ্ময়কর এক জীবন কাহিনীঃ শেয়ার না করে পারলাম না

২২ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:০৪ |

শেয়ারঃ ইসলামী ফাউন্ডেশন, somewhere—in blog থেকে নেওয়া

0 0

 

মাত্র ছয় বছর বয়সে তিনি কুরআন মাজীদ মুখস্থ করে ফেলেন ও দশ বছর বয়সে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্ত করেন। এরপর তিনি বুখারার শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দীস ইমাম দাখিলী (র) এর হাদীস শিক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করেন।তার সহপাঠীরা খাতা কলম নিয়ে ওস্তাদ থেকে শিখা হাদিস লিখে রাখতেন। কিন্তু তিনি সাথে খাতা কলম নিয়ে যেতেন না।সহপাঠীরা তাকে এই বলে ভর্ৎসনা করত যে, খাতা কলম ছাড়া তুমি অযথা কেন এসে বসে থাকো? একদিন বিরক্ত হয়ে তিনি বললেন, তোমাদের খাতা কলম নিয়ে এস। কথামতো তারা তাই করল। এরপর তিনি তাদেরকে এতদিনে শোনা ১৫ হাজারের বেশি হাদীস মুখস্থ শুনিয়ে দিলেন, কোন রকম ভুলত্রুটি ছাড়া। বরং সহপাঠীরা তাদের ভুল গুলো সংশোধন করে নিল। এই ঘটনা দেখে বিষ্ময়ে তারা হতবাক হয়ে গেল। আর এই বালকের প্রখর স্মৃতিশক্তির কথা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ল। বিস্তারিত পড়ুন

Posted in ইসলাম ধর্ম | Tagged | মন্তব্য দিন

সূরা তওবা আয়াত ৬৭

(67) মুনাফিক পুরুষ ও নারী পরষ্পরের দোসর৷ খারাপ কাজের হুকুম দেয়, ভাল কাজের নিষেধ করে এবং কল্যাণ থেকে নিজেদের হাত গুটিয়ে রাখে৷ ৭৫   তারা আল্লাহকে ভূলে গেছে ,ফলে আল্লাহও তাদেরকে ভুলে গেছেন৷  
৭৫ . সমস্ত মুনাফিকের এটা সাধারণ বৈশিষ্ট। তারা সবাই খারাপ কাজের ব্যাপারে আগ্রহী এবং ভাল কাজের প্রতি তাদের প্রচণ্ড অনিহা ও শত্রুতা। কোন ব্যক্তি খারাপ কাজ করতে চাইলে তারা তার প্রতি সহানুভূতিশীল হয়।তাকে পরামর্শ দেয়। তার মনে সাহস যোগায়। তাকে সাহায্য-সহায়তা দান করে। তার জন্য সুপারিশ পেশ করে। তার প্রশংসা করে। মোটকথা তার জন্য নিজেদের সব কিছুই তারা ওয়াকফ করে দেয়। মনেপ্রাণে তারা তার ঐ খারাপ কাজে বিস্তারিত পড়ুন
Posted in ইসলাম ধর্ম | Tagged | মন্তব্য দিন

এক জান্নাতী সাহাবী ও তাঁর অনন্য আমল

এক জান্নাতী সাহাবী ও তাঁর অনন্য আমল

হযরত আবু বকর ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবি জাহাম আদাবী হতে বর্ণিত, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘স্বপ্নে আমি জান্নাতে প্রবেশ করলাম, সেখানে নুয়াইমের কাশির শব্দ শুনতে পেলাম।-জামেউল মাসানীদ, হাদীস : ৯৫৭৫; তবকাতে ইবনে সা’দ ৪/১০২; মারিফাতুস সাহাবা, ৫/২৬৬
সাহাবীর অনন্য আমল ও বৈশিষ্ট্য : তাঁর পুরো নাম নুয়াইম ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উসাইদ। তবে তিনি নুয়াইম আন-নাহ্হাম নামেই অধিক পরিচিত। যখন আল্লাহর রাসূল তার সম্পর্কে বলেছেন ‘আমি জান্নাতে নুয়াইমের কাশির (নাহমা) শব্দ শুনতে পেয়েছি’; তখন থেকেই তিনি এ নামে প্রসিদ্ধ হয়ে যান। তিনি মক্কার কুরাইশ বংশের বিখ্যাত ‘বনু আদী’ গোত্রের একজন বিশিষ্ট সাহাবী এবং গোত্রের সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি। বিস্তারিত পড়ুন

Posted in ইসলাম ধর্ম | Tagged | মন্তব্য দিন